, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাভারের বিরুলিয়ায় দুস্থ-অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নরসিংদীর রায়পুরায় বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উপজেলা কমিটি অনুমোদন: সভাপতি কামাল, সম্পাদক জাকির সাভারে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন জামালপুরের বকশীগঞ্জে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ব্রির প্রশাসনে ‘প্রভাবশালী বলয়’-এর অভিযোগ, তদন্ত চেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা ব্রি কেন্দ্রে ভোট কারচুপিতে জড়িত থাকার অভিযোগ, ড. সিরাজুল ইসলামের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন জনগণের অধিকার সুসংহত করতে পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান স্বেচ্ছাসেবীদের নিজস্ব উদ্যোগে কুষ্টিয়া শহরে বর্জ্য অপসারণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি জমি দখলের অশুভ থাবায় কুমারখালীতে আহত হয়েছেন দুজন গৌরনদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডাস্টবিন বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

গালা ইউনিয়নে ‘বিশ্বাস পরিবার’: জনসেবা ও উন্নয়নের ধারায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম

  • প্রকাশের সময় : ০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
  • ১৫২ পড়া হয়েছে

গালা ইউনিয়নে ‘বিশ্বাস পরিবার’: জনসেবা ও উন্নয়নের ধারায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম

তানিয়া আক্তার (অমি)
স্টাফ রিপোর্টার

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার গালা ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় নেতৃত্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে একটি নাম বিশেষভাবে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে—‘বিশ্বাস পরিবার’। দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে এই পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার সামাজিক কাঠামো, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।

গালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদের ইতিহাসের সূচনা ঘটে ১৯৪৮ সালে, যখন স্থানীয় সমর্থনে ইউনিয়নের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আলী হোসেন বিশ্বাস। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রাথমিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে তাঁর সন্তান মোঃ শহিদুল্লাহ বিশ্বাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে শিক্ষা, যোগাযোগ এবং স্থানীয় সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।

দীর্ঘ বিরতির পর ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এই পরিবারের হাল ধরেন মোঃ শফিক বিশ্বাস। এরপর থেকে টানা তিন মেয়াদে তিনি গালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, তাঁর মেয়াদকালে ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যেমন—গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সংস্কার কাজ বেগবান হয়েছে।

রাজনৈতিক জীবনে মোঃ শফিক বিশ্বাস ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় পর্যায়ে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ ও অবস্থান গ্রহণের কারণেও তিনি পরিচিত।

ইউনিয়নের বাসিন্দারা ও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের মতে, সাধারণ মানুষের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ও সহজলভ্যতা তাঁর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাকে ধরে রেখেছে। আগামী দিনের সামাজিক ও অবকাঠামোগত নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সাভারের বিরুলিয়ায় দুস্থ-অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা

গালা ইউনিয়নে ‘বিশ্বাস পরিবার’: জনসেবা ও উন্নয়নের ধারায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম

প্রকাশের সময় : ০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

গালা ইউনিয়নে ‘বিশ্বাস পরিবার’: জনসেবা ও উন্নয়নের ধারায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম

তানিয়া আক্তার (অমি)
স্টাফ রিপোর্টার

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার গালা ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় নেতৃত্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে একটি নাম বিশেষভাবে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে—‘বিশ্বাস পরিবার’। দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে এই পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার সামাজিক কাঠামো, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।

গালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদের ইতিহাসের সূচনা ঘটে ১৯৪৮ সালে, যখন স্থানীয় সমর্থনে ইউনিয়নের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আলী হোসেন বিশ্বাস। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রাথমিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে তাঁর সন্তান মোঃ শহিদুল্লাহ বিশ্বাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে শিক্ষা, যোগাযোগ এবং স্থানীয় সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।

দীর্ঘ বিরতির পর ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এই পরিবারের হাল ধরেন মোঃ শফিক বিশ্বাস। এরপর থেকে টানা তিন মেয়াদে তিনি গালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, তাঁর মেয়াদকালে ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যেমন—গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সংস্কার কাজ বেগবান হয়েছে।

রাজনৈতিক জীবনে মোঃ শফিক বিশ্বাস ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় পর্যায়ে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ ও অবস্থান গ্রহণের কারণেও তিনি পরিচিত।

ইউনিয়নের বাসিন্দারা ও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের মতে, সাধারণ মানুষের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ও সহজলভ্যতা তাঁর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাকে ধরে রেখেছে। আগামী দিনের সামাজিক ও অবকাঠামোগত নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।