, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জনগণের অধিকার সুসংহত করতে পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান স্বেচ্ছাসেবীদের নিজস্ব উদ্যোগে কুষ্টিয়া শহরে বর্জ্য অপসারণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি জমি দখলের অশুভ থাবায় কুমারখালীতে আহত হয়েছেন দুজন গৌরনদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডাস্টবিন বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ইশরাক সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কুমারখালী প্রেসক্লাবের বিশেষ উদ্যোগ পাংশার পাট্রায় বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তায় জামায়াত প্রার্থীর টিউবওয়েল উপহার সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত বিষয়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি জামায়াতের ঘাস কাটা নিয়ে বিরোধ: কাপাসিয়ায় চাচাতো ভাইয়ের কোপে যুবকের নির্মম মৃত্যু প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গালা ইউনিয়নে ‘বিশ্বাস পরিবার’: জনসেবা ও উন্নয়নের ধারায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম

  • প্রকাশের সময় : ০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
  • ৬০ পড়া হয়েছে

গালা ইউনিয়নে ‘বিশ্বাস পরিবার’: জনসেবা ও উন্নয়নের ধারায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম

তানিয়া আক্তার (অমি)
স্টাফ রিপোর্টার

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার গালা ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় নেতৃত্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে একটি নাম বিশেষভাবে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে—‘বিশ্বাস পরিবার’। দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে এই পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার সামাজিক কাঠামো, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।

গালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদের ইতিহাসের সূচনা ঘটে ১৯৪৮ সালে, যখন স্থানীয় সমর্থনে ইউনিয়নের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আলী হোসেন বিশ্বাস। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রাথমিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে তাঁর সন্তান মোঃ শহিদুল্লাহ বিশ্বাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে শিক্ষা, যোগাযোগ এবং স্থানীয় সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।

দীর্ঘ বিরতির পর ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এই পরিবারের হাল ধরেন মোঃ শফিক বিশ্বাস। এরপর থেকে টানা তিন মেয়াদে তিনি গালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, তাঁর মেয়াদকালে ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যেমন—গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সংস্কার কাজ বেগবান হয়েছে।

রাজনৈতিক জীবনে মোঃ শফিক বিশ্বাস ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় পর্যায়ে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ ও অবস্থান গ্রহণের কারণেও তিনি পরিচিত।

ইউনিয়নের বাসিন্দারা ও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের মতে, সাধারণ মানুষের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ও সহজলভ্যতা তাঁর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাকে ধরে রেখেছে। আগামী দিনের সামাজিক ও অবকাঠামোগত নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জনগণের অধিকার সুসংহত করতে পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

গালা ইউনিয়নে ‘বিশ্বাস পরিবার’: জনসেবা ও উন্নয়নের ধারায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম

প্রকাশের সময় : ০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

গালা ইউনিয়নে ‘বিশ্বাস পরিবার’: জনসেবা ও উন্নয়নের ধারায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম

তানিয়া আক্তার (অমি)
স্টাফ রিপোর্টার

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার গালা ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় নেতৃত্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে একটি নাম বিশেষভাবে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে—‘বিশ্বাস পরিবার’। দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে এই পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার সামাজিক কাঠামো, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।

গালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদের ইতিহাসের সূচনা ঘটে ১৯৪৮ সালে, যখন স্থানীয় সমর্থনে ইউনিয়নের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আলী হোসেন বিশ্বাস। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রাথমিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে তাঁর সন্তান মোঃ শহিদুল্লাহ বিশ্বাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে শিক্ষা, যোগাযোগ এবং স্থানীয় সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।

দীর্ঘ বিরতির পর ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এই পরিবারের হাল ধরেন মোঃ শফিক বিশ্বাস। এরপর থেকে টানা তিন মেয়াদে তিনি গালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, তাঁর মেয়াদকালে ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যেমন—গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সংস্কার কাজ বেগবান হয়েছে।

রাজনৈতিক জীবনে মোঃ শফিক বিশ্বাস ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় পর্যায়ে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ ও অবস্থান গ্রহণের কারণেও তিনি পরিচিত।

ইউনিয়নের বাসিন্দারা ও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের মতে, সাধারণ মানুষের সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ও সহজলভ্যতা তাঁর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাকে ধরে রেখেছে। আগামী দিনের সামাজিক ও অবকাঠামোগত নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।